Khide Pele Toke khabo - খিদে পেলে তোকে খাবো - Shaon
ভয়ের গল্প পড়তে ভালোবাসেন? তাহলে সাবধান এই বই একবার খুললে বন্ধ করা মুশকিল।
চোখহীন কাজের মেয়ে, নিজের পাসপোর্টের সঙ্গে মুখ মেলে না এমন এক তরুণী, পনেরো তলার ব্যালকনিতে হেঁটে চলা অচেনা ছায়া, আর এক বুড়ি… যার খিদে কোনওদিনই মেটে না।
👁️🗨️ চারটি গল্প। চার রকমের ভয়।
🔹 প্রথম গল্প: ‘এলোকেশী’ সুনয়নার বাড়িতে নতুন কাজের মেয়ে এসেছে। অদ্ভুত ব্যাপার, মেয়েটার চোখ নেই। তবু সবকিছু মোটামুটি স্বাভাবিকই চলছিল। একদিন হঠাৎ সুনয়না লক্ষ করল, মেয়েটা উলটো দিকে মুখ করে হাঁটছে। প্রশ্ন করতেই কোনও উত্তর নয় বরং মেয়েটা উলটো হাঁটা অবস্থাতেই অসম্ভব দ্রুত গতিতে সুনয়নার দিকে এগিয়ে এল। চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না, মানুষ এভাবে হাঁটতে পারে।
🔹 দ্বিতীয় গল্প: ‘আমাকে শান্তিতে মরতে দাও’ উন্নত ভবিষ্যতের আশায় রিনা পাড়ি দেয় আমেরিকার আটলান্টা শহরে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই বুঝতে পারে যে জায়গাটা অস্বাভাবিক। ভয়ংকররকম অস্বাভাবিক। সে পালাতে চায়। কিন্তু এয়ারপোর্টে ঢুকতে দেওয়া হয় না তাকে। কারণ পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে তার মুখের কোনও মিলই নেই। তাহলে রিনা কে? সে কি নিজের পরিচয় প্রমাণ করতে পারবে, নাকি ফিরে যেতে হবে সেই অদ্ভুত জায়গাতেই?
🔹 তৃতীয় গল্প: ‘ওরা আছে আশপাশে’ পনেরো তলার ব্যালকনির রেলিংয়ের উপর দিয়ে হেঁটে চলেছে এক মেয়ে। দূরবীন দিয়ে দেখে অভীকের মনে হয় মেয়েটার শরীরে কোনও অন্তর্বাস নেই, স্বচ্ছ রাতপোশাক হাওয়ায় উড়ছে। দূর থেকে দেখে মনে হয় যেন কোনও পরি, যার পিঠে ডানা আছে। দু’দিন পরেই নিখোঁজ হয়ে যায় অভীক। কী হলো অভীকের, হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে কোথায় গেল সে?
🔹 চতুর্থ গল্প: ‘খিদে পেলে তোকে খাব’ এক দুপুরে অর্পিতাদের বাড়িতে আসে এক অচেনা বুড়ি, “খিদে লেগেছে, খেতে দে।” তারপর থেকে রোজ দুপুরেই আসে সে। যতই খাওয়ানো হোক, তার খিদে কখনোই মেটে না। একদিন বুড়ি হুমকি দেয়, “এরপর খিদে পেলে তোকে খাব।” ঠিক তখন থেকেই এলাকায় একের পর এক শিশু নিখোঁজ হতে থাকে… আর উদ্ধার হয় আধখাওয়া দেহ। তারপর?
🩸 এগুলো শুধু গল্প নয়। এগুলো রাতের নিস্তব্ধতায় মাথার ভেতর গেঁথে থাকা, দমবন্ধ করা আতঙ্ক।
⚠️ আগেই বলে রাখি, দুর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য এই বই নয়। যাঁরা ভয়ের গল্প ভালোবাসেন, এই বই একমাত্র তাঁদের জন্যই।













