top of page
SKU: BLPKK001

Kamessori Kathan - কামেশ্বরী কথন - Arghya Dipta Pal

₹399.00 Regular Price
₹320.00Sale Price
Quantity

এই গ্রন্থে যে দার্শনিক ভাবনাগুলির কথা বলা হয়েছে, সেখানে কামের নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে, দমনের নয়। কারণ নিয়ন্ত্রণ আর দমন এক নয়। কামের সঠিক ব্যবহার ও রূপান্তরের মাধ্যমেই তন্ত্রে মৈথুন সাধনার কথা বলা হয়। এই পথেই দেবী কামেশ্বরীর কৃপায়, শিবের তৃতীয় নয়নের আগুনে দগ্ধ কামদেব ফিরে পান তাঁর দিব্য রূপ। তন্ত্র মতে, এই দিব্য কামতত্ত্বই পরদেবতার রূপের মধ্যে প্রকাশ পায়।

 

তন্ত্রের দৃষ্টিতে সাধারণ মানুষের কাম সব সময়ই অসম্পূর্ণ। তার পেছনে থাকে কিছু না পাওয়ার বোধ, এক ধরনের অভাব। সেই অভাব পূরণ করতেই মানুষ বাইরের জগতে কাম্য বস্তু খুঁজে ফেরে। এই অবস্থায় কাম দ্বৈততার উপর দাঁড়িয়ে থাকে। আমি আর যা চাই, এই বিভাজনেই তার জন্ম। এই ধরনের কামই তন্ত্রে ‘রিপু’ বা শত্রু বলে বিবেচিত।

 

কিন্তু যেখানে সবকিছুই সম্পূর্ণ, সেখানে কোনও অভাব থাকে না। যিনি নিজেই পরিপূর্ণ, তিনি যখন সৃষ্টি করতে চান, তখন সেই ইচ্ছার মূলে কোনও ঘাটতি থাকে না। সেখানে থাকে শুধু নিজের পূর্ণতাকে প্রকাশ করার আনন্দ। এই কাম আসলে অসীম ইচ্ছা, জ্ঞান ও কর্মশক্তিরই এক প্রকাশমাত্র।

 

যেহেতু তাঁর মধ্যে সবই আছে, তাই তিনি যা চান, তা বাইরে থেকে নিতে হয় না, নিজের মধ্য থেকেই তা প্রকাশ করেন। বাইরে যেটুকু প্রকাশ দেখা যায়, সেটাও আসলে তাঁর চৈতন্যেরই রূপ, কারণ চৈতন্যের বাইরে কিছু নেই।

 

এই কারণেই যিনি চিরকাল পরিপূর্ণ, যাঁর কোনও কাম অপূর্ণ নয়, তাঁর কামনার মধ্যেই ঈশ্বরত্বের পূর্ণ প্রকাশ ঘটে। তাই তাঁকেই বলা হয় কামেশ্বর বা কামেশ্বরী।

bottom of page